SIR নিয়ে দেশজুড়ে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, দিল্লিতে ব্যারিকেড; অসমে আটক গৌরব গগৈ
SIR-কে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে কংগ্রেসের বিক্ষোভ। দিল্লিতে যন্তর মন্তরে ব্যারিকেড, অসমে আটক গৌরব গগৈ-সহ কংগ্রেস নেতারা।
সিটি নিউজ বাংলা | ন্যাশনাল ডেস্ক
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-কে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের বিক্ষোভ শুক্রবার দেশের একাধিক প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি, অসম, পঞ্জাব, চণ্ডীগড়, উত্তরপ্রদেশ, মণিপুর-সহ বিভিন্ন রাজ্যে কর্মসূচি পালন করে কংগ্রেস।

দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে যন্তর মন্তরের প্রবেশপথ একাধিক স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। প্রবেশপথ আটকে রাখতে বাসও ব্যবহার করা হয় বলে সংবাদ সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। ভারতীয় যুব কংগ্রেসের রাইসিনা রোড থেকে যন্তর মন্তর পর্যন্ত মিছিল করার কর্মসূচি ছিল।
একইসঙ্গে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দফতরের বাইরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের পরেই কংগ্রেসের এই দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি বলে জানা গিয়েছে।
অসমে আটক গৌরব গগৈ
অসমের গুয়াহাটিতেও SIR ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় প্রদেশ কংগ্রেস। পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ এবং দলের কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে আটক করা হয়, পুলিশ সূত্রে খবর।
অসম কংগ্রেসের কর্মসূচি রাজীব ভবন থেকে জনতা ভবনে অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল। দলটির অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন-সহ একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যও সামনে
SIR-কে ঘিরে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য নিয়ে যে দাবি উঠেছে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বহু সদস্যের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন মত, প্রশাসনিক পরামর্শ ও অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। কমিশনের বক্তব্য, SIR সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতভাবেই নেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কংগ্রেসের বিক্ষোভ চলাকালীন বেশ কয়েকটি জায়গায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন দলীয় কর্মীরা। ফলে SIR ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।
