মহানায়কের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য, কেওড়াতলা মহাশ্মশানে উন্মোচন হল উত্তম কুমারের আবক্ষ মূর্তি
মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে উন্মোচন হল তাঁর আবক্ষ মূর্তি ও স্মারক ফলক। জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে উত্তম মঞ্চ সংস্কারের ঘোষণাও করা হয়েছে।
কলকাতা, ২৪ জুলাই: বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি শুধুই একজন অভিনেতা নন, তিনি এক আবেগ, এক অনন্ত নস্ট্যালজিয়ার নাম। পর্দায় তাঁর এক চিলতে হাসিই একসময় লক্ষ লক্ষ দর্শকের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিত। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, বদলেছে বাংলা সিনেমার ভাষা। কিন্তু মহানায়ক উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তা ও আবেদন আজও অমলিন।

আজ, ২৪ জুলাই মহানায়কের ৪৬তম প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে উন্মোচন করা হল তাঁর আবক্ষ মূর্তি এবং একটি স্মারক ফলক। ১৯৮০ সালের এই দিনেই মাত্র ৫৩ বছর বয়সে কলকাতার বেলভিউ ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন বাংলা সিনেমার এই কিংবদন্তি অভিনেতা। পরবর্তীতে কেওড়াতলা মহাশ্মশানেই সম্পন্ন হয়েছিল তাঁর শেষকৃত্য।
হেলমেট পরে আদালতে অভিজিৎ দেি ভৌমিক, ডিম নিক্ষেপে উত্তপ্ত কোচবিহার আদালত
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের ব্যবস্থাপনায় সকাল ৯টায় আয়োজিত হয় এই বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান। মহানায়কের মূর্তি উন্মোচনের পর উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এদিন মহানায়কের স্মৃতিকে আরও মর্যাদা দিতে কলকাতার উত্তম মঞ্চের সংস্কারের বিশেষ ঘোষণাও করা হয়। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংস্কৃতিপ্রেমী এবং চলচ্চিত্র অনুরাগীরা।

উল্লেখ্য, চলতি বছরই পালিত হচ্ছে মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ। তাই তাঁর জীবন, কর্ম এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের স্মরণে সারা বছর জুড়েই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। প্রয়াণ দিবসের এই উদ্যোগ সেই স্মরণপর্বকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র উত্তম কুমার আজও বাঙালির হৃদয়ে সমানভাবে বিরাজমান। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং অসামান্য শিল্পসত্তা আগামী প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।SEO Title: মহানায়কের প্রয়াণ দিবসে কেওড়াতলায় উন্মোচন হল উত্তম কুমারের আবক্ষ মূর্তি
