কোচবিহার জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব পাস, সহকারী সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদের পদ নিয়ে জল্পনা
কোচবিহার জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব পাস। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর জেলা পরিষদে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা।
কোচবিহার জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব পাস সহকারী সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদের বিরুদ্ধে

কোচবিহার: দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে কোচবিহার জেলা পরিষদে সহকারী সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব পাস হল। জেলা পরিষদের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অনাস্থা প্রস্তাবকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ও অসন্তোষকে সামনে রেখে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। সেই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্যও প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে টানাপোড়েন চলার পর অবশেষে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ায় পরিস্থিতিতে নতুন মোড় এসেছে।
অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ার ফলে জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি পদে আব্দুল জলিল আহমেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে জেলা পরিষদের পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে এবং এই পদে পরবর্তী সময়ে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, কোচবিহার জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অচলাবস্থার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। জেলা পরিষদের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা এবং সদস্যদের মধ্যে তৈরি হওয়া মতবিরোধ দূর করার বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। সেই আবহেই সহকারী সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব সামনে আসে।
এদিন অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ার পর জেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে জেলা পরিষদের কাজকর্ম কতটা স্বাভাবিক ছন্দে ফেরে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।
অনাস্থা প্রস্তাবকে ঘিরে জেলা পরিষদের রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ এবং নতুন সহকারী সভাপতি নির্বাচন বা দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
