মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা (MMSBY)’ চালুর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কারা এর আওতার বাইরে থাকবেন এবং বিজ্ঞপ্তিতে কী কী বলা হয়েছে, বিস্তারিত পড়ুন।
কোচবিহার/কলকাতা:
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা’ (Mukhyya Mantri Swasthya Bima Yojana – MMSBY) চালুর বিষয়ে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। স্বাস্থ্য ভবন থেকে ২৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে জারি হওয়া এই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যের যোগ্য বাসিন্দাদের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় আনা হবে, যাতে গুরুতর অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার বিপুল ব্যয় তাদের আর্থিক সংকটের কারণ না হয়। এই প্রকল্প মূলত স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতাভুক্ত কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত (AB PM-JAY)-এর আওতায় না থাকা যোগ্য স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য প্রযোজ্য।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যাঁরা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকবেন:
যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ৮ লক্ষ টাকার বেশি।পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্প (West Bengal Health Scheme, 2008)-এর আওতাভুক্ত কর্মী বা পেনশনভোগী।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প (CGHS)-এর আওতাভুক্ত কর্মী বা পেনশনভোগী।ESI আইনের আওতাভুক্ত কর্মী বা পেনশনভোগী।
কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের অধীন বিভিন্ন সংস্থা, পাবলিক সেক্টর, স্থানীয় সংস্থা, বোর্ড, ট্রাস্ট, সোসাইটি ইত্যাদির গ্রুপ মেডিক্যাল ইনস্যুরেন্সের সুবিধাভোগী কর্মচারী বা পেনশনভোগী।রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের এমন কর্মচারী বা পেনশনভোগী, যাঁরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মেডিক্যাল অ্যালাউন্স পান।
৭০ বছরের বেশি বয়সী পরিবারের সদস্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভায় বন্দনা (Ayushman Vay Vandana) প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন।
রাজ্য সরকার সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যে অন্যান্য শ্রেণিকে বাদ দেবে।ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (SIR)-এ মৃত, স্থানান্তরিত, অনুপস্থিত বা ডুপ্লিকেট হিসেবে বাদ পড়া ব্যক্তিরা।
স্বাস্থ্য দপ্তরের এই নতুন উদ্যোগের ফলে রাজ্যের বহু সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকল্পের বিস্তারিত বাস্তবায়ন, আবেদন প্রক্রিয়া এবং স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা শীঘ্রই সরকারিভাবে প্রকাশ করা হতে পারে।
