১৭ আগস্ট শুরু ডিজিটাল আদমশুমারির দ্বিতীয় ধাপ, প্রথমবার জাতিগত পরিচয় নথিভুক্ত
১৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল আদমশুমারির দ্বিতীয় ধাপ। প্রথমবার জাতীয় আদমশুমারিতে জাতিগত পরিচয় নথিভুক্ত হবে। অনলাইনে সেলফ-এনুমারেশন ও বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ চলবে।
১৭ আগস্ট থেকে শুরু ডিজিটাল আদমশুমারির দ্বিতীয় ধাপ, এবার প্রথমবার নথিভুক্ত হবে জাতিগত পরিচয়
সিটি নিউজ বাংলা, ন্যাশনাল ডেস্ক : ভারতের ২০২৭ সালের ডিজিটাল আদমশুমারির (Census 2027) দ্বিতীয় ধাপের জনসংখ্যা গণনা আগামী ১৭ আগস্ট ২০২৬ থেকে শুরু হচ্ছে। এই পর্যায়ের গণনা পরিচালনা করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (RGI)। প্রথম দফায় তুষারাবৃত ও দুর্গম অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও, দেশের বাকি অংশে দ্বিতীয় ধাপের গণনা হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ১৭ থেকে ৩১ আগস্ট নাগরিকরা অনলাইনে সেলফ-এনুমারেশন বা স্ব-গণনার মাধ্যমে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন। এরপর ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই সময়সূচি আপাতত লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মতো দুর্গম ও তুষারপ্রবণ অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য।
এবারের আদমশুমারিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ১৯৩১ সালের পর এই প্রথম জাতীয় আদমশুমারিতে নাগরিকদের জাতিগত পরিচয় (Caste Census) নথিভুক্ত করা হবে। এছাড়াও উত্তরদাতার বাবা-মায়ের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পাসপোর্ট নম্বর এবং স্বেচ্ছাভিত্তিতে আধার নম্বরও নেওয়া হতে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, জাতিগত পরিচয় বা বাবা-মায়ের জন্মস্থানের তথ্য দেওয়ার জন্য কোনো সার্টিফিকেট বা সরকারি নথি দেখানোর প্রয়োজন নেই। নাগরিকরা মৌখিকভাবে যে তথ্য দেবেন, সেটিই তাঁদের সর্বোত্তম জ্ঞানের ভিত্তিতে নথিভুক্ত করা হবে।
এছাড়াও জানানো হয়েছে, আদমশুমারিতে সংগৃহীত তথ্য কোনো আইনি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না এবং সরকারি সুবিধা প্রদান বা বন্ধ করার ক্ষেত্রেও এই তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। ফলে নাগরিকদের নির্ভয়ে ও সঠিক তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন
