বন্দে মাতরম থামানোর চেষ্টা? সোনিয়া গান্ধীকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেস সংঘাত
‘বন্দে মাতরম’ গান থামানোর চেষ্টা হয়েছিল? ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির। অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ব্যাখ্যা কংগ্রেসের।
‘বন্দে মাতরম’ থামানোর চেষ্টা? সোনিয়া গান্ধীকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেসে তীব্র সংঘাত
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ‘বন্দে মাতরম’ গান থামানোর চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কে জড়াল বিজেপি ও কংগ্রেস। দিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিজেপি সরব হলেও অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস।

বিজেপির দাবি, ৮ আগস্ট কংগ্রেস সদর দফতরে ‘বন্দে মাতরম’ চলাকালীন সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী গানটি মাঝপথে থামানোর জন্য ইশারা করেছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপির একাধিক নেতা এই ঘটনাকে জাতীয় ভাবাবেগের প্রতি অসম্মান বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ‘বন্দে মাতরম’-এর মতো ঐতিহাসিক জাতীয় গানের প্রতি এমন আচরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তবে বিজেপির এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে কংগ্রেস। দলের নেতা জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন, অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গানই পরিবেশন করা হয়েছিল। সোনিয়া গান্ধী গান বন্ধ করার কোনও নির্দেশ দেননি বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
কংগ্রেসের ব্যাখ্যা, ভিডিওতে সোনিয়া গান্ধীর যে ইশারা দেখা যাচ্ছে, তার সঙ্গে গান থামানোর কোনও সম্পর্ক নেই। বরং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় তাঁর জন্য একটি চেয়ারের ব্যবস্থা করতে বলছিলেন সোনিয়া।
ভিডিওকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেসের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে স্বাধীনতা দিবসের আবহেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে জাতীয় রাজনীতি। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিতর্কের পর দুই দলের মধ্যে সংঘাত কতটা গড়ায়।
