ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের একক বেড়া প্রকল্পে গতি, মেখলিগঞ্জের ১৯ মৌজার জমির দাবিদারদের খুঁজছে প্রশাসন
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের সিঙ্গল-রো মডুলার ফেন্সিং প্রকল্পে গতি আনতে মেখলিগঞ্জের ১৯টি মৌজার দাবিহীন জমির প্রকৃত মালিক ও উত্তরাধিকারীদের সামনে আসার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের একক বেড়া প্রকল্পে গতি
সিটি নিউজ বাংলা, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বিএসএফের সিঙ্গল-রো মডুলার ফেন্সিং (Single-Row Modular Fencing) প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ব্লকের ১৯টি মৌজায় জমি চিহ্নিতকরণের সময় বেশ কিছু জমির কোনও নথিভুক্ত মালিক বা বৈধ উত্তরাধিকারীর সন্ধান না মেলায় সেগুলিকে আপাতত ‘দাবিহীন’ (Claimless) হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই জমিগুলির প্রকৃত মালিক বা বৈধ উত্তরাধিকারী থাকলে তাঁদের দ্রুত মেখলিগঞ্জ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের (BL&LRO) দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। জমির মালিকানা যাচাইয়ের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রশাসনের মতে, সীমান্ত সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে জমি সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি। তাই প্রকৃত দাবিদারদের সামনে এসে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দাবিদারদের সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে জমির দলিল, পর্চা বা খতিয়ান, বৈধ উত্তরাধিকারী (লিগ্যাল হেয়ারশিপ) শংসাপত্র, আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড এবং প্রয়োজন হলে বংশতালিকা বা জিনিয়োলজি সংক্রান্ত নথি।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, যাঁদের বা যাঁদের পরিচিত কারও মেখলিগঞ্জ ব্লকের ওই ১৯টি মৌজায় জমি রয়েছে, তাঁরা দেরি না করে BL&LRO দপ্তরে যোগাযোগ করুন। পাশাপাশি কোচবিহার জেলা প্রশাসনের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত জমির তফসিল (Land Schedule) বা অ্যানেক্সচার দেখে দাগ নম্বর মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের আশা, প্রকৃত জমির মালিক বা উত্তরাধিকারীদের সহযোগিতায় জমি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের একক বেড়া নির্মাণ প্রকল্পের কাজও দ্রুত এগিয়ে যাবে।
