বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের বাড়ি ও তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ
বেলেঘাটায় তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ। রাজনৈতিক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ তুলে তদন্ত ও গ্রেফতারের দাবি বিধায়কের।
বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের বাড়ি ও তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ, রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য
কলকাতা: বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি এবং দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কলকাতার রাজনৈতিক মহলে। অভিযোগ, বুধবার রাতে একদল দুষ্কৃতী প্রথমে তাঁর বাড়ির গেটের সামনে তাণ্ডব চালায়। এরপর বেলেঘাটার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

অভিযোগ, হামলাকারীরা দলীয় কার্যালয়ের বাইরে থাকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষের ছবি-সহ ব্যানার ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর কুণাল ঘোষের অভিযোগ, হামলাকারীরা স্থানীয় বাসিন্দা নন। বাইরে থেকে লোক এনে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের যোগ থাকারও অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক।
সমাজমাধ্যমে সরব হয়ে কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, বিরোধী গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠদের মদতেই এই হামলা হয়েছে। তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এমনকি টাকা দিয়ে লোক এনে হামলা চালানোর অভিযোগও করেছেন তিনি। ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক।
অন্যদিকে, কুণাল ঘোষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, কুণাল ঘোষকে নিয়ে মন্তব্য করার মতো সময় তাঁর নেই।
এদিকে, ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পুলিশের মদত রয়েছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর যোগ আছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
