জাতীয় হস্ততাঁত দিবস ২০২৬: স্বদেশী আন্দোলনের ঐতিহ্যকে স্মরণ, তাঁতশিল্পীদের সম্মান জানাচ্ছে দেশ
আজ ৭ আগস্ট পালিত হচ্ছে জাতীয় হস্ততাঁত দিবস। স্বদেশী আন্দোলনের ঐতিহ্যকে স্মরণ করে দেশের তাঁতশিল্পী, কুটির শিল্প ও হস্ততাঁত শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।
আজ জাতীয় হস্ততাঁত দিবসে স্বদেশী ঐতিহ্য ও তাঁতশিল্পীদের সম্মান জানাচ্ছে দেশ
সিটি নিউজ বাংলা, ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ, ৭ আগস্ট, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় হস্ততাঁত দিবস (National Handloom Day)। ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক স্বদেশী আন্দোলনের স্মৃতিকে সম্মান জানানো এবং দেশের লক্ষ লক্ষ তাঁতশিল্পী ও কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

জাতীয় হস্ততাঁত দিবসের মূল উদ্দেশ্য ভারতের শতাব্দীপ্রাচীন হস্ততাঁত শিল্প, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ করা। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁতশিল্পীদের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে উৎসাহ দেওয়া এবং দেশীয় হস্ততাঁত ও খাদি পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে ‘স্বদেশী’ ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করাও এই দিবসের অন্যতম লক্ষ্য।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বদেশী আন্দোলনের সূচনা হয়। বিদেশি পণ্য বর্জন করে দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বানই ছিল সেই আন্দোলনের মূল বার্তা। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চেন্নাইয়ে প্রথম জাতীয় হস্ততাঁত দিবসের সূচনা করেন।
ভারতের হস্ততাঁত শিল্প শুধু দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতীক নয়, এটি লক্ষ লক্ষ পরিবারের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। হস্ততাঁত ও খাদি পণ্যের ব্যবহার বাড়লে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটে, অন্যদিকে স্থানীয় তাঁতশিল্পী ও কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের আর্থিক অবস্থার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জাতীয় হস্ততাঁত দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—দেশীয় হস্ততাঁত ও খাদি পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে ভারতীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর।
