জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র | মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা
জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র, বাড়ছে বৈশ্বিক উদ্বেগ।
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাল্টা অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, CT News বাংলা:
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার গভীর রাতে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করা হয়েছে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যৌথ সামরিক বাহিনী ইরাকে ইরান-সমর্থিত পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (PMF)-এর একাধিক ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়। ওয়াশিংটনের দাবি, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, মার্কিন সেনা ও স্বার্থের উপর হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হওয়ায় এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে, যার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও পড়তে পারে।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রাথমিক দাবির ভিত্তিতে প্রস্তুত। ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং স্বাধীনভাবে সব দাবি এখনও সম্পূর্ণ যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
