চাকরির টোপ দিয়ে তরুণীকে ধূপগুড়িতে এনে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার সিভিক ভলেন্টিয়ার
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মেখলিগঞ্জের তরুণীকে ধূপগুড়িতে এনে ধর্ষণের অভিযোগ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। একজন গ্রেফতার, পলাতক আরও দুই।
চাকরির টোপ দিয়ে তরুণীকে ধূপগুড়িতে এনে ধর্ষণের অভিযোগ! গ্রেফতার সিভিক ভলেন্টিয়ার
তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, পলাতক আরও ২
ধূপগুড়ি: চাকরি ও অন্যান্য প্রলোভন দেখিয়ে মেখলিগঞ্জের এক তরুণীকে ধূপগুড়িতে এনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ধূপগুড়ি থানায় কর্মরত এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি দুই অভিযুক্তের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চলছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণীকে ধূপগুড়ির একটি ভাড়াবাড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রায় তিন দিন আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কোনওভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে মেখলিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ধূপগুড়ি থানার সহযোগিতায় ৩০ বছর বয়সি এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। ধৃতের বাড়ি ধূপগুড়ির ভেমটিয়া এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে কোচবিহারে নিয়ে গিয়ে আদালতে পেশ করা হবে।
এদিকে, অভিযোগে নাম থাকা বাকি দুই সিভিক ভলেন্টিয়ার এখনও পলাতক। তাঁদের বাড়ি মাগুরমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁদের সন্ধানে একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
ঘটনাকে ঘিরে ধূপগুড়ি ও মেখলিগঞ্জে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) সৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোচবিহারের এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি দুই অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।
তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে ঘটনার আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।
