মাথাভাঙা আদালতে ভুয়ো আইনজীবীর অভিযোগ, আটক এক ব্যক্তি
মাথাভাঙা আদালত চত্বরে নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ। সন্দেহের পর এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।
মাথাভাঙা আদালত চত্বরে ভুয়ো আইনজীবীর অভিযোগ, আটক এক ব্যক্তি!
মাথাভাঙা, স্টেট ডেস্ক : আদালত চত্বরে নিজেকে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারের মাথাভাঙা আদালত চত্বরে। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি নিজের আসল পরিচয় গোপন করে আইনজীবী সেজে দীর্ঘদিন ধরে আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ব্যক্তির কার্যকলাপ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। আদালত চত্বরে তিনি নিজেকে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং বিভিন্ন আইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার দাবি করতেন বলে অভিযোগ। তাঁর কথাবার্তা ও কার্যকলাপ নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।
এরপরই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, ওই ব্যক্তির আইনজীবী হিসেবে কাজ করার দাবির পিছনে বৈধ পরিচয় বা প্রয়োজনীয় যোগ্যতার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষকে নিজের পরিচয় সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর তাঁকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তিনি ঠিক কতদিন ধরে এইভাবে আইনজীবীর পরিচয় ব্যবহার করছিলেন, তাঁর মাধ্যমে কতজন মানুষ প্রতারিত হয়েছেন এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—সেসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের তদন্তে আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের কোনও নথি, মামলা সংক্রান্ত কাগজপত্র কিংবা অন্য কোনও আইনি প্রক্রিয়ায় বেআইনিভাবে হস্তক্ষেপ করেছিলেন কি না। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা বা জালিয়াতির অভিযোগে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা তদন্তের পর স্পষ্ট হবে।
মাথাভাঙা আদালত চত্বরে এমন অভিযোগ সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে আদালত প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আইনি পরিষেবা দেওয়ার নামে কারা যোগাযোগ করছেন এবং তাঁদের পরিচয় কতটা যাচাই করা হচ্ছে। বিশেষ করে মামলা-মোকদ্দমার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাধারণ মানুষ যাতে ভুয়ো পরিচয়ের ফাঁদে না পড়েন, সেদিকেও নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরই জানা যাবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ঠিক কী উদ্দেশ্যে আইনজীবীর পরিচয় ব্যবহার করছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আরও কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না। পুরো ঘটনায় মাথাভাঙা আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।চাইলে এটিকে আমি আরও টানটান “ব্রেকিং নিউজ” স্টাইলে, অথবা ভিডিও নিউজের ভয়েসওভার স্ক্রিপ্ট হিসেবেও সাজিয়ে দিতে পারি।
