জাপানের পর চীনের দিকে টাইফুন ‘ডলফিন’, ২১৬ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
জাপানে তাণ্ডবের পর চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’। ২১৬ কিমি বেগে ঝড় ও ৬০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টির আশঙ্কায় জারি কমলা সতর্কতা।
জাপানের পর চীনের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’, ২১৬ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
সিটি নিউজ বাংলা, এনভায়রনমেন্ট ডেস্ক, ৯ আগস্ট: জাপানের ওকিনাওয়া ও আমামি দ্বীপপুঞ্জে তাণ্ডব চালানোর পর এবার চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘ডলফিন’। প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টি নিয়ে এগিয়ে আসা এই ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৬২ থেকে ২১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনের ঝেজিয়াং ও ফুচিয়ান প্রদেশে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জাপানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
টাইফুনের প্রভাবে জাপানের ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা এলাকায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ঝড়ের দাপটে ৫০ হাজারেরও বেশি বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বাতিল করা হয়েছে শত শত বিমান। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চীনে জোরদার প্রস্তুতি
টাইফুন ‘ডলফিন’-এর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চীন। দেশটির আবহাওয়া দফতর টাইফুনটির জন্য কমলা স্তরের সতর্কতা জারি করেছে। একাধিক এলাকায় বন্দর ও ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিমান ও ট্রেন চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীনের কিছু এলাকায় ৬০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে উপকূলবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। টাইফুনটি চীনের পূর্ব উপকূলে পৌঁছনোর পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
